উপমহাদেশীয় ঘৃণা চর্চার প্রেক্ষিতে দেশপ্রেম

এক গবেষণায় দেখা গেছে বাংলাদেশের কোন নাগরিককে বিরক্ত করা, ক্ষতি করার সাথে যারা জড়িত তাদের কেউ ভারতীয় ও পাকিস্তানী না।
স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে(যু্দ্ধের ক্ষতি বেশিরভাগ সচেতনভাবেই হয়) হাজার বছরেও অন্য দেশের নাগরিক দ্বারা কেউই ক্ষতিগ্রস্থ হয় না তবুও ট্রাম্প মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল তুলতে চান, ভারত-পাকিস্তান রাষ্ট্র একে অপরের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে আর এ দেশীয় জনতা দুই দেশকেই গালাগাল করে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে হাজার কিলোমিটার। কিন্তু নিজের দেশের কোটি টাকা চোরের সাথে সেলফি তুলে নিজেকে ক্ষমতাবান মনে করে।
আমি ছোট যখন বাবা এক্সিডেন্ট করেন। সেদিন রাগ হয়েছিল খুব। যতটা মনে পড়ে গাড়ি তুলে দেয়া ড্রাইভারটা বিদেশীদের(শত্রু) ভাষায় কথা বলত না। তবুও ভীন দেশের অদেখা অচেনা মানুষকে শত্রু জেনে দেশপ্রেম তীব্র করতে হবে।
নিজ দেশে হাজার হাজার অসভ্য জনতা(সৃষ্টিকর্তা প্রেরিত ফেরেশতার মত বোধোহয়!) আর বিশাল থানা পুলিশ কোর্ট কাচারি থাকার পরও অন্য দেশের কোন লোকের ত্রুটি পেলেই পৈশাচিক আনন্দ নেয়ার অপর নামই দেশপ্রেম। তাই তো?
এই যেমন বৈশ্বিক খাদ্য সূচকে আমার দেশ প্রথম ৫০ এর ভিতর হলেই কি এক অপার সুখ বিপরীতে সর্বশেষ তালিকায় যে দেশের নাম তাদের নামটাও জানা হয় না। তারা না খেয়ে মরুক আমাদের বাপের নামটা আগে।

Post a Comment

0 Comments