ভারতে গেলে কোন পোর্ট দিয়ে যাবেন?

ভারত যাব ভারত যাব কিন্ত ভারত যাওয়া মানেই তো ভারত যাওয়া নয়। বিশাল এক দেশ ভারত যার ২৯ টি রাজ্য্ বাংলাদেশের চারপাশেই তার অনেকগুলো রাজ্য। তাই বিষয়টা ভারত যাওয়া হলেও পাশাপাশি বলা চাই পশ্চিমবঙ্গে যাব নাকি অন্য রাজ্যে যাব। আবার ভারত গেছি বলতেও আমার কেমন লাগে। দু চার বার শিয়ালদহ ঘুরে এসেই বুঝি ভারত যাওয়া হয়? দেখা হয়? কোন ভারতীয়ও কি পারে দশটা-পাঁচটার অফিস করে তার ভারতকে দেখতে?
যাক বাংলাট্রিবিউন কাজটা দারুণ করেছে। কোথায় যেতে চাইলে কোন বর্ডার দিবেন তা জানা জরুরী।
দার্জিলিং যেতে চাইলে বুড়িমারি/চ্যাংড়াবান্ধা পোর্ট দিয়ে ভিসা করান। সহজ হবে আপনার দার্জিলিং ভ্রমণ।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিলিগুঁড়ির খুব কাছে অবস্থিত ফুলবাড়ি/বাংলাবান্ধা সীমান্ত চেকপোস্ট দিয়ে প্রবেশ করলেও কাছাকাছি পাবেন দার্জিলিং।
মেঘালয় ঘুরে আসতে চাইলে তামাবিল/ডাউকি দেবেন পোর্ট অব এন্ট্রি। সিলেট থেকে মাত্র দুই/তিন ঘণ্টার দূরত্বেই পেয়ে যাবেন মেঘের রাজ্য মেঘালয়। ঘুরে আসতে পারেন শিলং, চেরাপুঞ্জি। হাতে সময় থাকলে শিলং থেকে ঘণ্টা কয়েকের জার্নি করে আসাম থেকেও ঘুরে আশা যায়।
ত্রিপুরা অথবা আগরতলা যাওয়ার চিন্তা করলে আখাউরা/আগরতলা পোর্ট দিন ভিসায়।
সোনামসজিদ/মহদিপুর সীমান্ত ব্যবহার করে সহজে যাওয়া যায় মুর্শিদাবাদ ও এর আশেপাশের এলাকা।
যারা কোলকাতা যেতে চান, তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে যেকোনও পোর্টের ভিসা নিয়েই আপনি এখন প্রবেশ করতে পারবেন কোলকাতায়। তথ্যটি জানালেন ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের কর্মকর্তা এশা। তিনি জানান, বেনাপোল/হরিদাসপুর পোর্টের ভিসা নিয়ে যেমন এদিক দিয়ে প্রবেশ করা যাবে, তেমনি অন্যান্য পোর্টের ভিসা যাদের আছে তারাও প্রবেশ করতে পারবেন এই সীমান্ত ব্যবহার করে। তবে এই প্রবেশপথ ব্যবহার করে প্রবেশ করলে বেরও হতে হবে এই পথ দিয়েই। এটা সব পোর্টের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
সড়কপথে নেপাল অথবা ভুটান যেতে চাইলে ট্রানজিট ভিসা নেবেন ফুলবাড়ি/বাংলাবান্ধা অথবা বুড়িমারি/চ্যাংড়াবান্ধা পোর্ট দিয়ে।

Post a Comment

0 Comments