মেসেঞ্জারে ব্যক্তিত্ব না হারানোর উপায় যত

ফেসবুকের আদবকায়দা নিয়ে ইতিপূর্বে বহু লেখা হয়েছে। মেসেঞ্জার নিয়ে খুব একটা লেখা পাইনি। যা পেলাম সেগুলো ও নিজের অভিজ্ঞতার মিশেলে এই লেখা।

১। প্রথম মেসেজে কি লিখবেন : এই প্রশ্নটা আসেইনা যদি আপনি জানেন কেন কাউকে নক করছেন। কাউকে মেসেজ করে শুরুতেই শুভ সকাল/হাই/আসসালামু আলাইকুম বলবেন না। আসসালামু আলাইকুম বলতে পারেন যদি এরপর দরকারী কিছু বলার থাকে। কিন্তু আসসালামু আলাইকুম বলার পর মানুষটা উত্তর দিল আপনি আর কিছু বললেন না। এতে কিন্তু বাজে ধারণা তৈরি হয়। মনে রাখবেন প্রথম পরিচয়েই বা প্রথম বারেই মানুষ আরেকজন মানুষ সম্পর্কে যে ধারণা করে ফেলে সেটার প্রভাব অনেক। কাউকে শুরুতেই বিরক্ত করে নিজের পার্সোনালিটি নষ্ট করবেন না।

২। কিভাবে আলাপ আগাবেন : হাই/শুভ সকাল বলার মত সম্পর্ক সবার সাথে থাকে না। কারো সাথে যোগাযোগের আগে তো এসব বলাই যাবে না। তাই কারো সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে শুভ সকাল দিয়ে শুরু করা উচিত না। কারণ অত সকালে কাউকে অপ্রয়োজনে নক করলে সে বিরক্তবোধ করবে। তারচেয়ে ভাল অন্যভাবে কথা বলা শুরু করুন। যেমন, আছেন? একটা দরকার ছিল। আপনার বাড়ি তো রংপুর। সেখানে ভাল কলেজ কোনটা আপনি জানেন? ভাগ্নীকে ভর্তি করাব(এভাবে চাপা মেরে হলেও কথা শুরু করুন। দয়া করে হাই বলবেন না। তবে এক্ষেত্রে সময়জ্ঞান মাথায় রাখবেন) আর যদি দরকার থাকে নিজের পরিচয় দিয়েই সে দরকারের কথা সোজাসুজি বলে সময় আছে কিনা জেনে কথা বলুন।
৩। প্রথম মেসেজের উত্তর না পেলে : ধরে নিলাম অলরেডি আপনি হাই/আসসালামু আলাইকুম/শুভ সকাল লিখে ফেলেছেন। অনেকে সিন করেছে অনেকে করেনি। তারপর চুপ। আপনিও চুপ। তাদের আবার একদিন পর কিংবা ছয় মাস পর আবার হাই/শুভ সকাল/আসসালামু আলাইকুম বলবেন না যদি না তার সাথে খুব জরুরী দরকার থাকে। মনে রাখবেন আপনার মেসেজের ‍উত্তর সে দেয়নি মানে আপনাকে উত্তর দেয়া জরুরী মনে করেনি। আবার তাকে হাই/হ্যালো বলে নক করে নিজেকে ছোট করবেন না। যদি খুব বেশি জরুরী হয় তাহলে বলুন, আমি তো আপনাকে নক করেছিলাম। বোধোহয় বিজি ছিলেন। একটু সময় হবে? আমি আসলে এই দরকারে কথা বলতে চাই। দয়া করে দরকার ছাড়া তাকে আর নক করবেন না।

৪। প্রথম মেসেজের উত্তর পাওয়ার পর : আপনি কাউকে হাই লিখলেন। সেও হাই লিখল কিংবা জানতে চাইল আপনি কে। তখনই আপনার একটা সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিবেন। বা তার আগেই দিবেন। তারপর প্রশ্ন করুন। সে একটা উত্তর দেয়ার পরেই আমার জেলায় আসা হয়? কোথায় চাকরি করেন? কিসে পড়েন? কে কে আছে বাড়িতে? অফিস থেকে বাসা দূরে? ডিনার করেছেন? সকালে বিজি থাকেন? নাস্তা অফিসে করেন? আপনার মন আজ কোন কারণে বেশি সুখী? অফিস থেকে ফিরে কি কি করেন? ঢাকায় আত্মীয় নাই? কবে থেকে ফেসবুক চালান? আমি আপনার ছোট ভাই হতে পারি? এসব জানতে চাইবেন না। এসব জানতে সময় নিন। দুদিক থেকেই একি রকম সম্পর্ক হওয়া অবধি সময় নিন। অপর পক্ষের আগ্রহ জাগছে কিনা খেয়াল করে প্রশ্ন যুক্ত করুন।

৫। লিস্টে থাকলেই নক করবেন না : ফেসবুকে আপনি অনেক ধরনের মানুষকেই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিতে পারেন। তারা সেটা একসেপ্ট করার মানে এই না উনি আপনার ছোটবেলার জানের দোস্ত হয়ে গেল। তাই খুব প্রয়োজন ছাড়া লিস্টে যেই থাকুক নক করবেন না। অন্তত খোশগল্পের জন্যে তো অবশ্যই না। বরং তাদের সাথে অন্যভাবে যোগাযোগ করার চেষ্টা করুন। নিজের কোন কাজকর্মর মাধ্যমে নিজেকে প্রয়োজনীয় করে তুলুন আপনিই যোগাযোগ হবে। যেমন, আপনার লিস্টে এমন কেউ আছে যিনি সামাজিক কাজকর্ম করেন। আপনিও সেরকম কোন কাজে যুক্ত থাকলে নিজের কাজগুলো তুলে ধরুন। দেখবেন তিনিই কোন কাজে নক করেছেন।

আর আপনার যদি কোন দরকারেই লাগে সরাসরি বললে সাহায্য করবে না তা নয়। সাহায্য করতেই চায় মানুষ যদি সুযোগ থাকে। তাই লিস্টের সবার সাথে ঘনিষ্ঠতা পাতাতে হবে এটা নিয়ে মরিয়া হওয়ার কিছু নেই। ঘনিষ্ঠ মানুষের সংখ্যা যার যত বেশি তার আসলে কেউই নেই এটা মাথায় রাখুন।

৬। বন্ধু হলেও রোজ মেসেজ করবেন না: আপনার সাথে প্রতিদিন তার দেখা হয়। কথাও হয়। কিন্তু মেসেজ করার সময় মাথায় রাখুন আপনার সাথে তার সম্পর্কের আন্তরিকতা কেমন। সে কেমন ভাবে নিচ্ছে আপনাকে। তারপর তাকে মেসেজ করুন। এসব ছাড়াও বন্ধু হলেও রোজ একি কথা জানতে চাইবেন না। সব সময় টু দা পয়েণ্ট কথা বলার চেষ্টা করুন। এরপর ওখানেই আলাপ শেষ করুন। খেলেন, এরপর কি করবেন, কোথায় যাবেন এগুলো দিনভর বলবেন না। গার্লফ্রেন্ড হলে অন্য বিষয়। এমন না এভাবে চব্বিশ ঘন্টা আপডেট না থাকলে কারো বন্ধুত্ব নষ্ট হয়ে যায়।

আর নক করলেও রোজ রোজ একি ধরনেরর কথা বলবেন না। কাজের কথা থাকলে বন্ধুকে বলুন নয়ত চুপ থাকুন। ফেসবুক থাকর আগেও সারাদিন খোঁজ খবর নেয়া ছাড়াই বন্ধুত্ব টিকে থাকত।
৭। চ্যাট সচল রাখতে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করবেন না : আপনার সাথে কারো ভাল সম্পর্ক। তার সাথে আপনার কথা বলতে ভাল লাগে। তাকে নক করার পর সে জানালো বাইরে যাচ্ছে তারপর আর নক করবেন না। নক করলেও আপনার যা বলার জরুরী সেটা বলে চুপ হয়ে যান। তাকে বলবেন না, খেয়ে যাচ্ছো? বাইরে কি রোদ? তোমার মাথার চুল কি খোলা?

তেমনই কেউ বিজি না থাকলেও কথার পিঠে অনর্থক প্রশ্ন করবেন না। মূল পয়েন্টে থাকবেন। যেমন, কাউকে আপনি বিমানের টিকেটের ব্যাপারে নক করলেন। সে জানালো সে আপনাকে টিকেট করে দিবে। ‘ওকে’ বলে সেখানেই কথা শেষ করুন। তাকে বলবেন না, ভাই অফিসে সবার আগে কে আসে? আপনি কি দুধ চা কম খান? এসব বলবেন না।

৮। যে প্রশ্নের উত্তর নেই তেমন প্রশ্ন করবেন না : ধরেন রাত এগারটা বাজে। কাউকে আপনি ফেসবুকে দেখলেন। আপনি তাকে প্রশ্ন করবেন না, কি করেন? কখন ঘুমাবেন? কারণ সেও তখন আপনার মত ফেসবুকই করে। তখন তাকে হাই, কি করো, খাইসেন রোজ বলা মানে বিরক্ত করা। কেউ না খেয়ে থাকে তো মনে হয় না। খুব ঘনিষ্ঠ না হলে এই কথা গুলো বলা যায় না রোজ । আরো বিপদের কথা যাকে প্রশ্ন করা হয় তার কাছে এসবের কোন উত্তরই থাকে না। যেমন, কেউ সকাল নটার দিকে বাজারের ব্যাগ নিয়ে যেতে দেখলেই প্রশ্ন করবেন না কোথায় যাচ্ছেন? কতক্ষণ থাকবেন গিয়ে?

৯। কি জানতে চাইবেন না : আপনি কি করেন, কোথায় থাকেন, বিবাহিত কিনা এসব জানতে চাইবেন না। কাউকে এসব না জেনে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিবেন না। ফেসবুকে খুব কম মানুষই আছে আপনার সাথে রাতে বা দিনের শুরুতে এসব কথা বলার মত সময় রাখে। তাই অপ্রয়োজনে এসব জানার চেষ্টা না করাই ভাল।

১০। যে ধরনের কথা মেসেজে বলবেন না : আপনি ঢাকা যাবেন। পরদিন আপনার কোন পরীক্ষা আছে। ঢাকাতেই এক বন্ধুর বাসায় থাকবেন। যাওয়ার দিন তাকে কল করুন। কলে একবার না পেলে দ্বিতীয়বার করুন। এরকম মৃত্যুর সংবাদ বা নানান রকম বিপদ বা পারিবারিক সমস্যা সহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু থাকলে ফেসবুকে মেসেজ না করে কলে যোগাযোগ করুন।

১১। কেউ রিকোয়েস্ট না নিলে যা বলবেন : আপনার সাথে কারো কাজ আছে। তাকে রিকোয়েস্ট দিলেন একসেপ্ট করেনি। কিন্তু তার সাথে কথা বলাও জরুরী আবার লিস্টে থাকলেও আপনার ভাল লাগবে। তাহলে তাকে আগে নিজের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিন। যেমন, আমি রহিম বক্সী। অমুক ভার্সিটিতে সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। পাশাপাশি গান করি। আমার একটু কথা বলার ছিল আপনার সাথে গানের ব্যাপারে। ফোনে কথা বলা যাবে? যদি অসুবিধে থাকে ফেসবুকে কথা বলে নিতে পারলেও হবে।

১২। যা শেয়ার করবেন না : কোন মজার ভিডিও পেলেই সেটা সাথে সাথে কোন চ্যাট গ্রুপে দিবেন না। বেশিরভাগই এসব আগে দেখে অভ্যস্ত। খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু বা দুর্লভ কিছু হলেই দিন নয়ত যে জিনিস দুশো বার লোকে দেখেছে সেটা দিয়ে নিজেকে হাসির পাত্র বানাবেন না।

১৩। কাদের সাথে কেমন ভাষা ব্যবহার করবেন ; আপনার বন্ধুবান্ধবের সাথে মুরাদ টাকলা বা বাংলিশ যে কোনটাই চালিয়ে নিতে পারেন। দয়া করে আপনার শিক্ষক কিংবা উচ্চপদস্থ কারো সাথে জরুরী যোগাযোগের সময় এসব ব্যবহার করবেন না। অপরিচিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও বাংলা লেখার চেষ্টা করুন। আজকাল সব ফোনেই বাংলা লেখা যায়।

১৪। কখন মেসেজ দেবন কখন দেবেন না : কারো সাথে আপনার কদিন আগে থেকে কথা শুরু হয়েছে। তাকে পরদিন সকালেই শুভ সকাল বলবেন না বা সকালেই কথা বলা শুরু করবেন না। আগে জানুন সে কখন ফ্রি থাকে। মধ্যরাতে কাউকে চ্যাটে দেখেই ভাববেন না সে খুব ফ্রি আছে যে আপনাকে বলবে তার বাড়িতে কে কে আছে।

১৫। কোন তথ্যের জন্যে নক করবেন না : সাদিয়াস কিচেন কোথায়, রুপালি ব্যাংকের অমুক শাখা কোন রোডে, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের নাম কি, উগান্ডার রাজধানী কি, কত তারিখ বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু হবে, সুদানের মুদ্রাা নাম কি এসব কারো ইনবক্সে জানতে চাইবেন না। এসব জানতে গুগল ম্যাপে যান কিংবা গুগলে নির্দিষ্ট কি ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করুন। ধরুন আপনি মেট্রো রেলের আদ্যপান্ত জানতে চান। তাহলে গুগলে লিখুন, মেট্রোরেল। শুরুতেই উইকিপিডিয়ার লিংকে সব পাবেন। ধরা যাক, আপনি কক্সবাজারের কোন এক এলাকার পোস্ট কোড জানতে চান। তাহলে গুগলে লিখুন, Post code coxbajar কিংবা আপনি ফ্রান্সে কাউকে কল দেবেন কিন্তু সেখানের ফোন কোড জানেন না। এবার ও গুগলে লিখুন phone code France তাহলে কাঙ্খিত তথ্য পেয়ে যাবেন। এভাবে সব কিছুই গুগলে পাবেন। কাউকে প্রশ্ন করে নিজেকে আধুনিক যুগের বোকা প্রমাণ করবেন না।
এর বাইরেও খুব জরুরী কিছু যদি থাকেই তাহয়ে বিনয়ের সাথে তার সময় আছে কিনা জেনে নিজের পরিচয় দিয়ে দ্রুত কথা বলুন। সেখানে ফাঁক পেলে আপনার জিএফ আছে ভাই? এই প্রশ্ন করবেন না।

১৬। ফোন নাম্বার চাইতে/কল করতে সতর্ক থাকুন : আজকাল যুগটা আর ফোন কলে আটকে নেই। আপনি নিজেই সন্ধ্যার পর কিংবা রাতে ফেসবুকে বসেন। নানা জনের সাথে কথা বলেন। সে সময় কোন বেরসিক কল করে খোশগল্প শুরু করে দিলে আপনার কেমন লাগবে? এই খোশগল্প করতে গিয়ে ওদিকে অনেকে মেসেজের উত্তর দেরীতে পাবে। এতে করে আপনার প্রেমই নষ্ট হয়ে ও যেতে পারে। অন্যদের ক্ষেত্রেও সেটা মাথায় রাখুন। ইমার্জেন্সী না হলে কিংবা প্রেমের মত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক না থাকলে বা এক কথায় খুব নিকট মানে পরিবারের কেউ না হলে রোজ বা কদিন বিরতিতে কাউকে কল করার কিছু নেই। এটা বিরক্ত করা। তাই এসব ফেসবুকীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে মেসেজের বাইরে যোগাযোগের জন্যে নাম্বার/হোয়াটসএপ/ইমো/ভাইবার এসবের নাম্বার না চাওয়াই উত্তম।
তার সাথে পরদিন বা কোন দরকারে দেখা করার থাকলেই সেটা জানিয়ে ফোন নাম্বার চেয়ে নিন। নয়ত অন্য কারণে নাম্বার চেয়ে কল করার মধ্যে কোন ভদ্রতা নেই। আর কারো সাথে ঘণ্টা বা আধঘন্টা অপ্রয়োজনে আলাপ করবেন যদি ঠিকই করেন তাহলে আগে তাকে প্রশ্ন করুন কোন সময় কল করলে তার অসুবিধে নেই। হুট করে কল করবেন না। অনেকে বাথরুমেও ফোন নিয়ে যায়। তাদের কথা ভাবুন। অনেকে মেসেঞ্জারে জরুরী আলাপরত অবস্থায় থাকে। তাদের কথাও ভাবুন। আপনার একটি কলে তাদের কত রকম অসুবিধা হতে পারে মাথায় রাখুন।

১৭। ইদ-পূজা-নববর্ষে কাদের শুভেচ্ছা পাঠাবেন : অনেকেই দেখি এ সময়গুলোতে লিস্টের সবাইকে একই টেক্সট, একই অডিও-ভিডিও কিংবা শুভ সকাল, শুভ রাত্রির স্টিাকার বা একই ছবি গণহারে সবাইকে পাঠান। এভাবে পাঠাবেন না। কোনদিন কথা হয়নি এমন কাউকে পাঠিয়ে তাকেও বিরক্ত করবেন না। নিজেকেও ছোট করবেন না। এ ধরনের উৎসবের কিংবা সকাল-বিকালের শুভেচ্ছা কেবল গুটিকয়েক ঘনিষ্ঠজনকেই পাঠান। আবার একই জিনিস সবাইকে পাঠাবেন না। যার সাথে যেমন সম্পর্ক সে অনুসারেই সবার জন্যে আলাদা করে লিখুন।

১৮। কোকাকোলার মধ্যে এইডসের জীবাণু ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, এই মেসেজ কুড়ি জনকে না পাঠালে কাল থেকে ফেসবুক ফ্রিতে ব্যবহার করা যাবে না এরকম অসংখ্যা মেসেজ ইনবক্সে ঘুরে। এসব পেলেই কাউকে দিয়ে নিজে বলদ সেটা প্রমাণ করবে না।
যেগুলো মানুষকে জানিয়ে সমাজ বদলে দিতে চাইছেন তার আগে জানুন এরকম বিপ্লবী কিছু হলে জাতীয় পত্রিকায় প্রথম পাতায় ছাপতো, টিভিতে লাইভেই এসব নিয়ে কথা বলতো। তাই অস্থির হবেন না নিজেকে বলদ প্রমাণের জন্যে।
এছাড়াও তুমি ২০ জন থেকে মেসেজটি পেলে তুমি তাদের প্রিয় বন্দু, আমিন না বলে যাবেন না এর ধরনে পোস্ট ও ইনবক্সে দেবেন না। আর লিংক মানেই নিউজ মনে করে সেটা ইনবক্সে ছড়াবনে না। মূলধারার গণমাধ্যম ও দায়িত্বশীর কারো ফেসবুক পোস্ট দেখে যাচাই বাছাই করে মগজ দিয়ে বিচার করে কোন তথ্য সঠিক জেনে কাউকে জানান। দ্রুত না জানালে আপনাকে কেউ লিস্ট থেকে বাদ দিবে না বা জরিমানার আইন ও নেই।

উল্লেখিত ঘটনাগুলোর শিকার আমি সহ আরো অনেকে। সিনেমার মত কাকতালীয় দাবি করছি না। এগুলো মিলে যাবে আরো অনেকের সাথেই।

Post a Comment

0 Comments